নদীভাঙ্গণে ঝুঁকিপূর্ণ ১০ জেলায় বাঁধনির্মাণ অব্যাহত

আসন্ন বর্ষার প্রস্তুতি হিসেবে সারাদেশে নদীভাঙ্গণে ঝুঁকিপূর্ণ অন্তত ১০টি জেলায় বাঁধনির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকছে।

দেশের নড়িয়া, চাঁদপুর, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, লক্ষীপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নড়াইল এবং সিরাজগঞ্জ এর চিহ্নিত এলাকায় বাঁধনির্মাণ ও বাঁধ পুন:রক্ষার কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১০ মে) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এসব কথা জানান।

এনামুল হক শামীম বলেন, বর্ষা সমাগত হওয়ায় আগেই আমরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে তীররক্ষার কাজ শুরু করেছি।

এবার কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যাতে দেশের বা মানুষের কোন ক্ষতি না করতে পারে সে লক্ষ্যে বিদ্যমান করোনা সঙ্কটেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ অব্যাহত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছি।

মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সকল কাজের সমন্বয় করছে।

তাছাড়া বাপাউবো মহাপরিচালকসহ একাধিক কর্মকর্তা বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কাজ স্বশরীরে গিয়ে তদারকি করছেন। গত ২৯ এপ্রিল আমি নিজেও পদ্মার তীররক্ষার কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছি।

হাওরাঞ্চলের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে উপমন্ত্রী শামীম বলেন, হাওর এলাকায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আগাম প্রস্তুতির জন্য এবার ফসলরক্ষা হয়েছে।

তাছাড়া অতীতের ন্যায় বন্যা বা নদীভাঙ্গণে মানুষের জান-মালের যাতে কোন ক্ষতি না হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও নেতৃত্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়  সেলক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ভাঙ্গণপ্রবণ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করতে প্রধান প্রকৌশলী (বাপাউবো) ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে টিম গঠন করা হয়।

এর আগে গত ১৯ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে বর্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় করণীয় সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা সভা করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

এর ধারাবাহিকতায় ৩রা মে পুণরায় সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে চলমান কাজ ত্বরান্বিত করতে আলোচনা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কাজের পাশাপাশি সারাদেশে তীররক্ষার অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ অব্যাহত আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.