> প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম

প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর

মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ইন্টারনেটের মহাসমুদ্রে। বাংলাভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগ সামহোয়্যারইনব্লগে মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রচুর লেখা আছে- যার বেশিরভাগই ভালো লেখা। এই লেখাগুলোকে এক মলাটের ভেতরে নিয়ে আসার একটা তাগিদ অনুভব করেছি আমরা। ই-সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ মূলত এ কারণেই।

লক্ষ্য ছিল, আগাগোড়া প্রামাণ্য থাকা। তারপরও পারা যায়নি শেষপর্যন্ত। আবেগমথিত দীর্ঘ গল্পকাহিনীর চাইতে নিউইয়র্ক টাইমস বা দৈনিক বাংলার ছোট্ট ক্লিপিংসটাকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাই। অর্থহীন আলাপের চাইতে স্বজনের মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধের সত্যি ঘটনাকে বেশি মূল্য দিতে চাই। মূলত একটি বিশেষ সময়কে আমরা ধরতে চেয়েছি লেখায়-রেখায়। ফলে মুক্তিযুদ্ধকে আশ্রয় করে অনেক গল্প-কবিতা ব্লগে প্রকাশিত হলেও তা নেওয়া সম্ভব হয়নি। যদিও ব্লগ থেকে পাওয়া লেখাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মৌলিক কাজ কিংবা গবেষণা খুবই কম। বলতে দ্বিধা নেই, এ খুবই হতাশার!

কিছু লেখার শিরোনাম, হঠাৎ চোখে পড়া দু একটি ভুল শব্দ বদলে দেওয়া আর বর্ণবিন্যাসের প্রয়োজনে সামান্য সম্পাদনা ছাড়া লেখকের মূল লেখাকে অবিকৃত রাখার চেষ্টা করেছি আমরা। অন্যদিক থেকে আবার সম্পাদনার সবচেয়ে বড়ো গলদও এটি। অভিন্ন বানানরীতি অনুসরণ করাও সম্ভব হয়নি। তবে লেখক নয়, আমরা বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিতে চেয়েছি। সেভাবেই সাজানোর চেষ্টা করেছি সংকলনের পৃষ্ঠাগুলো। দেশের পাঠকদের কথা ভেবে ই-সংকলনের আকার নিয়ে একটা উদ্বেগ সবসময়ই ছিল। ইচ্ছে থাকলেও এ দিকটা ভেবে খুব বেশি ছবি রাখা হয়নি এ সংকলনে। ফন্টের আকারও খুব বেশি বড়ো রাখা হয়নি পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে।

এটা ঠিক যে, যা হয়েছে তার চেয়েও আরো ভালো করা সম্ভব- সম্পাদনা, অঙ্গসজ্জা, বর্ণবিন্যাস আর প্রযুক্তিগত দিক থেকে। তবে যিনি পরিকল্পনা করেছেন, তিনিই আবার ইলাস্ট্রেটরে কাজ করেছেন। তাকেই আবার টুকটাক সম্পাদনা করতে হয়েছে বর্ণবিন্যাসের প্রয়োজনে, কনভার্টারের অলঙ্ঘনীয় বাগগুলোও তাকেই ঠিক করতে হয়েছে একেক করে। ফলে অনিচ্ছাসত্ত্বেও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

এই ই-সংকলনটি বিনামূল্যে বিতরণ করা যাবে। তবে কোনোক্রমেই এটি বিক্রি করা যাবে না। প্রকাশিত সব লেখার স্বত্ত্ব লেখকরা সংরক্ষণ করেন। আর এই ই-সংকলনের সঙ্গে সামহোয়্যারইন কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই জড়িত নন। ই-বুকে লাইভ লিংক রাখা হয়েছে। এর ফলে ই-বুক থেকেই সরাসরি সংশ্লিষ্ট ওয়েবপেজে যাওয়া যাবে। সূচিপত্র, ব্লগারের নাম ও অনেক লেখার ভেতরে ভেতরে হাইপারলিংক যুক্ত করা হয়েছে। ফলে যেমন সূচিপত্রে ক্লিক করেই সরাসরি নির্দিষ্ট লেখায় যাওয়া যাবে। ই-বুকে একটি ডাইনামিক সূচিপত্রও যোগ করা হয়েছে। পোস্টে সংযুক্ত ছবিতে দেখুন অ্যাক্রোবেট রিডারের বাম পাশটা।

কৃতজ্ঞতা
প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের আড়ালে টুটুল নামের যে তরুণটি নিজে উদ্যোগী হয়ে পোস্ট দিয়ে, প্রস্তাবিত তালিকার প্রায় অর্ধেক লেখকের অনুমতি এনে দিয়ে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন এ উদ্যোগটিকে, তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রয়োজনের মুহূর্তে পাওয়া গেছে নেমেসিসের সহায়তা। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। ব্লগারদের মধ্যে আরো যারা নানাভাবে সহায়তা করেছেন, এ উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

নির্দেশনা
অ্যাক্রোবেট রিডার ৬ বা তার ওপরের ভার্সনে এই ই-বুকটি ভালোভাবে দেখা যাবে। মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ৯৮, এক্সপি, ২০০০ ও ভিস্তায় ই-বুকের কিছু নমুনা পরীক্ষা করে ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। আর প্রচ্ছদে ব্যবহৃত সচলচিত্র দেখার জন্য অবশ্যই এডবি ফ্লাশ প্লেয়ার ইনস্টল করে নিতে হবে। ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে ।

—————————–
ই-বুক ডাউনলোড লিংক ১ : বইমেলা

ই-বুক ডাউনলোড লিংক ২ : মিডিয়াফায়ার

ধরন : পিডিএফ
মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২০৫
আকার : ৬.৪৭ মেগাবাইট

Leave a Reply

Your email address will not be published.