মুক্তিযুদ্ধের যত সিনেমা..

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশে অনেক ভাল ভাল সিনেমা হয়ছে, এবং আরো হওয়া দরকার। কারন আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের পরের প্রজন্ম তাদের সেই গৌরবউজ্জল সময় সম্পরকে জানার সব চেয়ে ভাল একটা মাধ্যম হল সিনেমা। আসুন দেখে নেই বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক ভাল কিছু সিনেমা গুলোকে:D

প্রথমেই আমার দেখা সেরা মুক্ত যুদ্ধে্র সিনেমা

আগুনের পরশমণি

হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত এই সিনামাটি মুক্তিযুদ্ধের সেই ভয়াল সময়ে ঢাকায় বসবাস রত একটী পরিবারকে নিয়ে। বিপাশা হায়াত সম্ভবত তার অভিনয় জীবনের সেরা অভিনয়টি এই সিনামাতে করেছেন। জানা বেশিভাগ ব্লগার এই মুভিটি দেখেসেন। ভুলে যদি মিস করে থাকেন দেখে নিবেন

এর পরেই সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা

গেরিলা

মুক্তিযুদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই সিনেমা টি তরুনপ্রজন্ম খুবই আগ্রহের সাথে গ্রহন করেছে। জয়া আহসান এমনিতেই আমার প্রিয় একজন অভিনেত্রী। আর এই মুভিটা দেখার পর তো এর বড় ফ্যান হয় গেছি। যতদুর শুনেছি এই সিনামাটি বাণিজ্যকভাবে সফল।

জীবন থেকে নেওয়া

এই সিনেমাটি আসলে মুক্তিযুদ্ধের না। কিন্তু ৫২ র ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে তৈরী এই সিনেমাটি পরিচালক জহির রায়হান মুক্ত বাংলাদেশের পটভূমী একেঁছেন। আফসোস জহির রায়হান জীবীত থাকতেন হয়তো বাংলাদেশের সিনেমার ইতিহাস অন্যরকম হত /:)

ওরা ১১জন

চাষী ইসলাম পরিচালিত এই সিনেমাও মুক্তিযুদ্ধের ভালো একটি দলিল।

জয়যাত্রা

গুণী পরিচালক তৌকির আহমেদ এই সিনেমাটি তে সেই সময়ের ভয়াবহতা খুব যত্ন নিয়ে ফুতিয়ে তুলেসেন।

মুক্তির গান

প্রয়াত তারেক মাসুদ এবং ক্যথিরিন মাসুদের পরিচালিত এই ডকূমেনটারি খুব ই আলোচিত। সেই সময়ের একটি গানের দলের কথা নিয়ে ত এই ডকূমেনটারিতি। গানের দলটি বিভিন্ন শরণাথী শিবিরে গিয়ে গান গেয়ে উৎসাহ এবং সাহস যোগাত। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ধারণকৃত এই সিনেমা আপনাকে সেই সময় টি বুজতে সাহায্য করবে।

শ্যামল ছায়া

কাহিনি, চিত্রনাট্য, পরিচালনা হুমায়ুন আহমেদ। মূল নারী চরিত্রতে কে সে তা নিশ্চিই বলতে হবে না;)
আমার কাসে সিনেমাটি বেশি এক টা ভালো লাগে নাই।

হাঙর নদী গ্রেনেড

সেলিনা হোসেনর উপন্যাস অবলম্বনে নিমিত সিনামার মুল চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুচরিতা। ভাল এক্তা সিনেমা।

আমার বন্ধু রাশেদ”
উপন্যাস টি যত ভালো সিনেমাটি সেই তুলনায় এত ভাল হয় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *