যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ

যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ

কৃতজ্ঞতা :

কোনো বিষয় সমপর্কে জানা হচেছ এক ব্যাপার। আর তা নিয়ে লেখা আরেক ব্যাপার- আবার তাও যদি হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মতো সর্বব্যাপক এক পটভূমি।
অনেকদিন থেকেই মনের ভেতর একটা ইচছাঙ্কুর সুপ্ত ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো একটা বিষয়বসত নিয়ে যদি লেখা যায়, পুঁজি ছিল যুদ্ধকালীন সময় এবং তার অবব্যহিত পরের বিভিন্ন পুসতকাদি ও পত্রিকানতরে প্রকাশিত নিবন্ধ সমূহের ব্যক্তিগত ডায়েরির লিপিবদ্ধ অংশ বিশেষ এবং যুদ্ধোত্তর দৈনিক পূর্বদেশ, ইত্তেফাক, সংবাদ ও দৈনিক বাংলার পেপার কাটিং। পুরো একটা সুটকেস ভর্তি হয়ে গিয়েছিল কাঁচামালে। এজন্য আমি এ পত্রিকাগুলোর কাছে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস কিংবা ঘটনাবলীর ইতিবৃত্ত হচেছ একটি বিশাল এবং ব্যাপক বিষয়। বিশেষ কতেক এলাকা এবং অবস্থানে থেকে যুদ্ধের টিউনিং সমপর্কে পুরোমাত্রায় ধারণা করা সুসপষ্ট কারণেই কষ্টকর ব্যাপার। তবুও মনে করি, আনতরিকতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা যদি পরসপরের সাথে সমপর্ক যুক্ত হয়, তাহলে বিন্দুর মধ্যেও সমুদ্রদর্শন করা তেমন দুরতিক্রম্য বাধা নয়। এ ধরণের অনুভূূতি নিয়েই এ গ্রন্থ রচনায় মনোনিবেশ করেছিলাম।
কিন্তু ‘যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ’ লেখার স্বপ্ন কোনোদিন বাসতবে রূপ নিত না যদি না বন্ধুবর সিদ্দিকুর রহমান বারবার বিশেষভাবে তাগাদা দিতেন এবং উৎসাহ যোগাতেন। এমনকি তার স্ত্রী, যাকে আপা ডাকি, তিনিও আমাকে অনেক উৎসাহ যুগিয়েছেন।
অনেক বই থেকে আমাকে তথ্য নির্ভর সাহায্য নিতে হয়েছে। যেমন, 1. আমি বিজয় দেখেছি-এম, আর আখতার মুকুল। 2. একাত্তরের রণাঙ্গন- শামসুল হুদা চৌধুরি। 3. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- বেলাল মোহাম্মদ 4. বাংলাদেশ জেনোসাইড অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড প্রেস- ফজলুল কাদের কাদেরি। 5. স্বাধীনতা ’71 (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)- কাদের সিদ্দিকী। 6. বন্ধুদের ভুলি নাই- সিদ্দিকুর রহমান।
এছাড়া আরো অনেকেই আছেন, যাদের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে এ গ্রন্থের প্রকাশ (?) আদৌ সম্ভব হতো না। তাদের সবার প্রতি রইল আমার আনতরিক কৃতজ্ঞতা।
পরিশেষে যার অকৃপণ হাতের সপর্শ ও মুখের হাসি আমার এই লেখনীর ধণাত্মক প্রভাব, সেই ভদ্রমহিলা মানে আমার স্ত্রী খুরশীদ জাহানের প্রতিও আমি বিশেষভাবে ঋণী। অনিচ্ছাকৃত ভূলত্রুটির জন্য সকলের কাছে ক্ষমা প্রাথর্ী, বিশেষ কিছু কারণে কিছু কিছু তথ্য সঠিকভাবে নির্ণয় (ক্রসচেকিং) হয়নি। এজন্য খুবই দুঃখিত। এ লেখা যদি কারো ভালো লাগে এবং এর মাধ্যমে একজন পাঠকের মনেও যদি স্বাধীনতা যুদ্ধের মুল্যবোধ ছায়া ফেলতে সক্ষম হয়, তাহলে আমার পরিশ্রম স্বার্থক হয়েছে বলে আত্মপ্রসাদ অনুভব করব।
বিনীত
ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান

পাদটীকা : আমি হুবহু পেজ বাই পেজ কম্পোজ করে ও পোস্ট করে যাব। কোনো এডিটিং আপাতত করছি না। কারো যদি কোনো বিষয় নিয়ে আপত্তি থাকে মন্তব্য করবেন, কিন্তু তা যেন সীমা না ছাড়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *