শাসন নয়, জনগণের সেবা করছি : শেখ হাসিনা

ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র কিংবা আইনের শাসন মোটেও দুর্বল নয়। আর পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ব্যাপকহারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে এমন অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর ব্রিটেনের বিখ্যাত পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ানে’ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বিচার বহির্ভূত হত্যাকা-, গুম, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গণগ্রেফতার, মিডিয়ার ওপর খবরদারি, ইন্টারনেটের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ, একদলীয় শাসন ইত্যাদি অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। গার্ডিয়ানকে শেখ হাসিনা বলেন, আমার দায়িত্ব সাধারণ মানুষের পাশে থাকা। আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি, নিজের জন্য নয়। মানুষ এখন আগের চেয়ে বরং আরও বেশি গণতন্ত্রের স্বাদ ভোগ করছে। মানুষ চায় তাদের মৌলিক অধিকার পূরণ হোক। আমি সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি। তাদের খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিয়ে জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানোই আমার মূল উদ্দেশ্য। দৃঢ় আস্থার সাথে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ আমরা উন্নত দেশে পরিণত হব। বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে কার্যকর আছে এবং দেশের মানুষ এতে সন্তুষ্ট। আমি মানুষের ওপর কর্তৃত্ব ফলাচ্ছি না; বরং তাদের সেবা করছি। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে জাতিসংঘের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির কাজে সফলতার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন। দেশের ভিতরও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রসারে সবচে বড় ভূমিকা পালন করছে। তার সরকারের সময়ে বহুসংখ্যক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকা আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যমে এই পরিবর্তন কে এনেছে? আমাদের সরকারেরই সফলতা এটা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *